সব ব্লগ
সার্চ, ক্যাটাগরি ফিল্টার ও পেজিনেশনসহ প্রফেশনাল ব্লগ আর্কাইভ।
সম্পূর্ণ বশীকরণ তন্ত্র — মন্মথ বাণ ও কামদেবের পাঁচ পুষ্পশরের তান্ত্রিক প্রয়োগ
কামদেবের পাঁচটি ফুলের বাণ রয়েছে। পাঁচ ফুলের বিশেষ পূজায় যেকোনো মানুষের মন আকৃষ্ট করা সম্ভব।
চন্দ্র মন্ত্র সাধনা — মানসিক শান্তি ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির বৈদিক বিশেষ পদ্ধতি
চন্দ্র মানসিক শক্তি ও স্মৃতির কারক। চন্দ্র দোষ কাটলে মানসিক শান্তি আসে।
মহালক্ষ্মী অষ্টক — ঋণমুক্তি ও অক্ষয় সম্পদের জন্য বিরল অষ্টোত্তর শতনাম পাঠ
শ্রীসূক্তে মহালক্ষ্মীর বর্ণনা আছে। শুক্রবার ও পূর্ণিমায় লক্ষ্মী পূজায় ঘরে অখণ্ড সমৃদ্ধি আসে।
কুবের ধনদ মন্ত্র — যক্ষরাজের অপ্রকাশিত ধনাগম মন্ত্র ও যন্ত্র স্থাপন বিধি
কুবের হলেন যক্ষরাজ ও ধনের দেবতা। তিনি উত্তর দিকের অধিপতি। কুবেরের মন্ত্র ও যন্ত্র ঘরে স্থাপন করলে অক্ষয় ধন আসে।
ত্রাটক সাধনা — দৃষ্টিশক্তি দিয়ে সম্মোহন ও তৃতীয় নয়ন জাগরণের গোপন পদ্ধতি
ত্রাটক হলো একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে অবিচল দৃষ্টি স্থির রাখার যোগ পদ্ধতি। দৃষ্টির মাধ্যমে সম্মোহন ক্ষমতা জন্মায়।
স্বপ্নাদেশ তন্ত্র — ঘুমের মধ্যে দেবতার দর্শন ও ভবিষ্যৎ জানার অজানা পদ্ধতি
স্বপ্নতন্ত্রে ঘুমের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে দেবতাদের সাথে যোগাযোগ করা যায়। প্রাচীন রাজারা এই পদ্ধতিতে ভবিষ্যৎ জানতেন।
হনুমান বজ্রকবচ — ভূত-প্রেত ও কালো জাদু থেকে রক্ষার অজ্ঞাত তান্ত্রিক কবচ
হনুমান বজ্রকবচ সাধারণ চালিসা থেকে আলাদা। ভূত প্রেত ও কালো রহস্যবিদ্যার বিরুদ্ধে অভেদ্য সুরক্ষা দেয়।
গণপতি অথর্বশীর্ষ — বিঘ্ননাশের সর্বশ্রেষ্ঠ উপনিষদীয় মন্ত্র ও গোপন বশীকরণ প্রয়োগ
গণপতি অথর্বশীর্ষ উপনিষদে গণেশকে পরব্রহ্ম বলা হয়েছে। এই মন্ত্র রোজ পাঠ করলে সব বাধা দূর হয়।
আদিত্য হৃদয় স্তোত্র — রামের যুদ্ধজয়ের মন্ত্র ও রোগমুক্তির শক্তিশালী স্তুতি
রাবণের সাথে যুদ্ধে ক্লান্ত রামচন্দ্রকে অগস্ত্য মুনি এই স্তোত্র শিখিয়েছিলেন।
কুণ্ডলিনী জাগরণের সাত চক্র সাধনা — মূলাধার থেকে সহস্রার পর্যন্ত শক্তি উত্থান
কুণ্ডলিনী হলো মেরুদণ্ডের মূলে সুপ্ত সর্পিল শক্তি। জাগ্রত হলে সাত চক্র ভেদ করে সহস্রারে পৌঁছায়।
শ্রীযন্ত্র সাধনা — মহালক্ষ্মীর স্বর্ণযন্ত্রের গোপন প্রতিষ্ঠা বিধি ও অক্ষয় সম্পদ লাভ
শ্রীযন্ত্র তন্ত্রের রাজা। ৯টি ত্রিভুজের সমন্বয়ে তৈরি জ্যামিতিক চিত্র যা পুরো ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক।
ত্রিপুরা ভৈরবী সাধনা — বশীকরণ ও সম্মোহনের সর্বোচ্চ তান্ত্রিক পদ্ধতি
ত্রিপুরা ভৈরবী দশ মহাবিদ্যার পঞ্চম বিদ্যা। ভৈরবীর সাধনায় সম্মোহন শক্তি ও বাক্সিদ্ধি লাভ হয়।